মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি ট্রলারচালক Latest Update News of Bangladesh

রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
বিনয়কাঠি ইউপির চেয়ারম্যানের জালিয়াতি জনগণ পরিবর্তন চায়, তাকিয়ে আছে বিএনপির ওপর: মির্জা ফখরুল ঝুঁকিপূর্ণ নির্বাচনেও স্বচ্ছতা রক্ষায় অটল নির্বাচন কমিশন ফেব্রুয়ারিতে ভোট, নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করল ইসি শেখ হাসিনার অডিও সম্প্রচারে গণমাধ্যমকে সরকারের কড়া হুঁশিয়ারি বরিশালে দুই উপজেলায় চার শিশুর মৃত্যু মৃত্যুর দুয়ার থেকে ৫ দিন পর ফিরলেন ভাসমান জেলে মোরশেদ বরিশালে থানা কম্পাউন্ডে ছাত্র-জনতার অবস্থান, কাজে ফিরেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা নগরীর সদর রোডে দুইটি ডাস্টবিন বসালেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা সুন্দরবন থেকে কুয়াকাটায় বড় কোরাল মাছ, বিক্রি ৩৬ হাজারে




মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি ট্রলারচালক

মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি ট্রলারচালক

মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি ট্রলারচালক




ঝালকাঠি প্রতিনিধি॥ নাম মিলন খান। পেশায় ট্রলারচালক। গত বৃহস্পতিবার রাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে আগুন দেখে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া তিনশ যাত্রীকে উদ্ধার করেছেন তিনি। বিপদগ্রস্ত যাত্রীদের তীরে ও মুমূর্ষুদের হাসপাতালের পথ পর্যন্ত এগিয়ে দিয়েছেন মিলন খান।

 

 

মিলন লঞ্চঘাট বেড়িবাঁধ এলাকার মৃত সরুব আলীর ছেলে। স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পাঁচজনের সংসার তার। প্রতিদিন ১০ টাকার বিনিময়ে ট্রলারে করে সদরের দিয়াকুল থেকে শহরের লঞ্চঘাটে যাত্রী পারাপার করেন তিনি। তবে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার দিন তিনি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নেননি। ঘটনার দিন রাত তিনটা থেকে পরদিন শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত আহত যাত্রীদের পারাপারের কাজ করেছেন তিনি।

 

 

ট্রলারচালক মিলন খান বলেন, ‘রাত তিনটার দিকে নদীতে যাত্রীদের চিৎকার ও আগুন দেখে ট্রলার নিয়ে রওনা দেই। গিয়ে দেখি আগুন থেকে বাঁচতে যাত্রীরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ভেসে আছেন। পরে তাদের উদ্ধার করে পাড়ে নিয়ে যাই। এলাকার লোকজন তাদের আশ্রয় দেন। তাদের অনেকেই দগ্ধ ছিলেন। কারও কারও হাত-পা ভাঙা ছিল। তাদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন ছিল। দিয়াকুল গ্রামের মানুষের সহায়তায় রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত ৩০০ যাত্রী পারাপার করে তীরে ও হাসপাতালে পাঠাতে সহায়তা করেছি। আমি কারও কাছ থেকে কোনো ভাড়া নিইনি। টাকাই সব নয়। বিপদে মানুষকে সহায়তা করেছি, এটাও কম নয়।’

 

 

তিনি আরো বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি। তবে আরো মানুষকে বাঁচাতে পারলে মনটা ভালো লাগত।’

 

 

গত ২৩ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দিবাগত গভীর রাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বরগুনাগামী লঞ্চ এমভি অভিযান-১০ এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এদের মধ্যে ৩৭ জনের বাড়িই বরগুনায়। ওই ঘটনায় আহত শতাধিক যাত্রী। নিখোঁজ অনেকে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD